বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
তিনি বলেন, “হোয়াংহো আর চীনের দুঃখ নাই। আমি চাই নোয়াখালী খালও আর নোয়াখালীর দুঃখ হয়ে থাকবে না।”
৩২৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের আওতায় জলাবদ্ধতা নিরসন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নে নোয়াখালী খাল এবং জেলার ২৩টি খালের পুনঃখনন করা হবে। সেই সঙ্গে ১৬০ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।
এ প্রকল্পের আওতায় ১৮২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, বামনি নদীতে ড্রেজিং, স্লুইস গেইট, ক্লোজার ও রেগুলেটর নির্মাণ এবং ১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ করা হবে।
২০১৬ সালের নভেম্বরে একনেকের অনুমোদন পাওয়া এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে।বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন করবে।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই কবিরহাট উপজেলার ধান শালিক এলাকায় খাল পুনঃখনন কাজ শুরু করা হয়।২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা থাকলেও তার আগেই তা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।
“যখনই আমি নোয়াখালী গিয়েছি, তখনই আমি শুনেছি নোয়াখালী খালের কথা। এই খালটা কেটে দিলে জলাবদ্ধতা দূর হবে। এটা আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, আমরা খালটা করে দেব। ”
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর নোয়াখালী খাল পুনঃখননে সমীক্ষা শুরু হলেও পরের মেয়াদে ক্ষমতায় আসা বিএনপি-জামায়াত সরকার যে তা আর এগিয়ে নেয়নি, সে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকার আশা করছে, নোয়াখালীর খাল পুনঃখনন ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি সন্দ্বীপ চ্যানেলের ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস